শিরোনামঃ
আইডিয়াল ট্রাস্ট পিইসি মেধাবৃত্তি পেলেন রাফাত নূর হাসনা রাফিপ্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীককে অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধনচকরিয়া থানা বিজয়দিবস ব্যাডমিন্টন টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন মতিউল-ইরফান ও রানার্সআপ আরেফিন-পিয়াসচকরিয়ায় ইউসিবি’র ‘সিআরএম’ উদ্বোধনখুরুশকুল ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা মো: রিয়াদঅনুপ্রবেশের দায়ে সেন্টমার্টিনদ্বীপ থেকে ১৬ মিয়ানমার নাগরিক আটকচবি ছাত্রলীগের একাংশ বিজয় এর পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত ভিসিকে ফুলেল শুভেচ্ছাএবারও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সম্মাননা পেলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ি আতিকুল ইসলামটেকনাফে“ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’মোকাবেলায় সব আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখার নির্দেশটেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউটের ১যুগ পূর্তি আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদনভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকালে রোহিঙ্গা তরুণী আটকঈদগাঁওতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিতচকরিয়ায় ঘর নির্মাণ করতে চাঁদা না দেয়ায় দূর্বৃত্তের হামলায় নিহত-১, নারীসহ আহত-৬, আটক-৩কুতুবদিয়া চ্যানেলের মগনামা পয়েন্টে ৯টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধ উপায়ে বালি উত্তোলন করছে এস আলম গ্রæপ!কক্সবাজার সদর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ আটক-২
porno izle izmir escort sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য,সুন্দর কক্সবাজার রেখে যেতে চাই-লে.কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান

PicsArt_05-16-01.04.52.jpg

সমুদ্রকন্ঠের সাথে বিশেষ সাক্ষাতকারে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে.কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমদ…….
আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য,সুন্দর কক্সবাজার রেখে যেতে চাই

(দৈনিক সমুদ্রকন্ঠের সাথে বিশেষ সাক্ষাতকারে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে.কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমদ, তার কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ ও পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেছেন দৈনিক সমুদ্রকন্ঠের সম্পাদক মঈনুল হাসান পলাশ।)
সাক্ষাতকারের চুম্বক অংশ…
*আমাদের মিটিংয়ে জেলা প্রশাসক যদি নীচের লোক পাঠান,পুলিশ সুপার যদি ্ইন্সপেক্টর পাঠান,তাহলে তারা কী অবদান রাখবেন?
* আমি জানি না,জেলা প্রশাসকের উপর অন্য কোনো প্রেশার আছে কিনা? তা না হলে কি করে সৈকতে অবৈধ স্থাপনা থাকে?
* যখন বাধ্য হবো, বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির দায়িত্ব নিয়ে নেবো।
* কক্সবাজারে,কিছু সুবিধাবাদী আছে, যারা কাজ করতে দেয় না। তাদের আওয়াজও বেশি, শক্তিশালী এবং বিভিন্ন জায়গায় এরাই নেতৃত্ব দেয়।

সমুদ্রকন্ঠ – আপনি দায়িত্ব নেয়ার আড়াই বছর হয়ে গেছে। এই আড়াই বছরে আপনার বড় অর্জনগুলো কি কি?
কউক চেয়ারম্যান লে.কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমদ – প্রথমতঃ আমাদের যে উদ্দেশ্যটা ছিলো-অফিসটা এস্টাবলিস্ট করা। দশতলার একটা অফিস বিল্ডিং আমরা পেয়েছি। একনেকে অনুমোদনের পর এটার কাজ হচ্ছে। এই অফিস চালানোর জন্য ২৪০ জনের জনবল অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আপাতত ৬৩ জনকে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
সুতরাং আমরা,আমাদের অফিস এস্টাবলিশমেন্টের জন্য জনবল, বিল্ডিং,বিধিবিধান এই তিনটা মেজর কাজ আমরা করেছি। এছাড়া আমরা বেশ কয়েকটা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। তার মধ্যে কক্সবাজার শহরে ছোটোখাটো কয়েকটা ভাস্কর্য- স্টারফিস,নৌকা, রুপচাঁদা। আরো একটা ভাস্কর্য বাহারছড়া মাঠে করা হচ্ছে। এটি মুক্তিযুদ্ধকে বিষয়বস্তু করে নির্মিত হবে।
দ্বিতীয়ত হলো, আমাদের কক্সবাজার শহরে তিনটা ঐতিহ্যবাহী পুকুর আছে। লালদিঘি, গোলদিঘী এবং বাজারঘাটা পুকুর। পুকুর সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। এক বছর সময় লাগবে।
যেটা মানুষের দখলে চলে গিয়েছিলো,সংস্কারের অভাব ছিলো,ময়লা-দূর্গন্ধ। এ রকম একটা জায়গায় পরিণত হয়েছিলো।
সেটাকে আমরা সংস্কার করে সেই ঐতিহ্যকে ফেরত আনতে চাইছি।
তৃতীয়তঃ কক্সবাজার শহরে যে পুরনো রোড আছে, হলিডে মোড় হয়ে,বাজারঘাটা হয়ে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত। তিনবার প্রি-একনেক হয়ে গেছে। তাদের পর্যবেক্ষণ ঠিক করে,আমরা চুড়ান্ত করে দিয়েছি। আমরা আশা করি সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে এটা একনেকে উঠবে। যদি আর কোনো বাধা না থাকে জুনের মধ্যেই আমরা শহরের প্রধান সড়কের কাজ শুরু করতে পারবো বলে আশা করি।

সমুদ্রকন্ঠ – শহরের প্রধান সড়কে কি ধরনের কাজ হবে?
কউক চেয়ারম্যান- পুরো রাস্তায় কোথাও একশ ফুট থেকে কোথাও পয়তাল্লিশ ফুট প্রশস্ত আছে এখন।
রাস্তায় যে অবৈধ দখলগুলো আছে,সেগুলো উচ্ছেদ করে,হাঁটার রাস্তা,দু’টা গাড়ি যাওয়ার রাস্তা, নর্দমা,লাইটিং এবং গাড়ি পার্কিং মানে গাড়ি উঠানামার জায়গা করা হবে। আশাকরি এটা হলে,যদিও কিছুদিন মানুষ কষ্ট পাবে। এই রাস্তাটার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে এবং লোকজনের হাঁটার জন্য জায়গা হবে। যেটা এখন নেই। এবং অবৈধ অনেক দখল আছে,সেই দখলগুলো মুক্ত হবে। আশাকরি কক্সবাজারের সৌন্দর্য্য কিছুটা হলেও ফেরত আনতে সক্ষম হবো।
আর সুগন্ধা পয়েন্ট হতে লাবণী মোড় পর্যন্ত,এই রাস্তাটাও আমরা নিয়েছি। আমরা আরো কয়েকটা রাস্তা নিতে চেয়েছিলাম। ফোরলেনের একটা রাস্তা লিংকরোড হতে কলাতলী হয়ে হলিডে মোড় পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগ করবে। এটা একনেকে পাস হয়ে গেছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে।
আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ বাকী রয়ে গেছে, কক্সবাজার জেলার মাস্টারপ্ল্যান। এই মাস্টারপ্ল্যান করার জন্য কউকের ম্যান্ডেট রয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা মাস্টারপ্ল্যান করছি।
বর্তমানে “ডেভেলপমেন্ট ফর কক্সবাজার টাউন আপ-টু টেকনাফ” পরিকল্পনাটি ২০১১ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত দেয়া আছে।
আমি এটা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছ থেকে যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি,তখন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছি।
এই দায়িত্বপূর্ণ এলাকা হলো ৩১১ বর্গকিলোমিটার। যেটার মধ্যে কক্সবাজার শহর, এর আশপাশের এলাকা,মহেশখালী,টেকনাফ,সেন্টমার্টিন এবং কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকার মধ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গেজেট বের হবার পর বলা হয়েছে পুরো কক্সবাজার জেলা হবে দায়িত্বপূর্ণ এলাকা।
এই নিয়ে আমরা একটা ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে দিয়েছি। এটা পাস হওয়ার পরে আমরা সকল স্টেকহোল্ডারের সাথে,জেলা প্রশাসক,মেয়রগণ,উপজেলা চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, অল এক্সপার্ট সবাই নিয়ে বসে আমরা এই মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করবো। এই মাস্টারপ্ল্যান চুড়ান্ত করতে তিন বছর সময় লাগবে।
তারপরে কক্সবাজারে কে,কোথায়, কি করবেন, নিজেরা প্ল্যান করে করবেন।
কিন্তু পুরনো মাস্টারপ্ল্যান ও কউক এর আইন মনে হয় কেউ পড়তে চান না,জানতে চান না। এ কারণে আমাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। যখনই আমি কোনো মিটিংয়ে থাকি,একটা সংস্থা থেকে কেউ যদি না আসেন,তাহলে কিন্তু ওই সাইডটা ওনারা গ্যাপের মধ্যে থাকেন।
আমরা এ পর্যন্ত এগারোটা বোর্ড মিটিং করেছি। পঞ্চাশটার বেশী সভা করেছি জনসাধারণকে সচেতন করার জন্য।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের যে বোর্ড,সেখানে আমিসহ উনিশজন কর্মকর্তা আছেন।
জেলা প্রশাসক আছেন, এসপি মহোদয় আছেন,মেয়র আছেন, এখানকার পিডব্লিওডির নির্বাহী প্রকৌশলী আছেন,চারটি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব পর্যায়ের প্রতিনিধি আছেন। সেটা গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মানে আমাদের মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, পর্যটন ও ভূমি মন্ত্রণালয়। এটা হলো একটা খুব শক্তিশালী কমিটি। এখন কেউ যদি এই কমিটিতে এসে উপস্থাপন না করেন,তাদের সমস্যা পেশ না করেন,যদি আলাদা ভাবে চিন্তা করেন,তবে কিন্তু কাজ করা যাবে না।
যেমন,জেলা প্রশাসক মহোদয় যদি মিটিংয়ে,নীচের একজন লোককে পাঠান,এবং তিনি তার ভূমিকা রাখতে না পারেন,তাহলে তো করার কিছু নাই।
যেমন এসপি মহোদয়। ওনার ওখান থেকে মিটিংয়ে যদি একজন ইন্সপেক্টর আসেন,উনি যদি ওনার অবদান না রাখেন, তাহলে আমার করণীয় কি আছে?
ওনাদের কি সমস্যা হচ্ছে, কি অধিকার খর্ব হচ্ছে, এটা যদি বোর্ডে উপস্থাপন হয়,তাহলে রেজুলেশন করে করতে পারি না।
এ পর্যন্ত চারশ ভূমির ছাড়পত্র দিয়েছি। ১৮৫টা বাড়ীর নকশা অনুমোদন দিয়েছি।
ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার,আর্কিটেচার,মেয়র-কাউন্সিলারদের নিয়ে মিটিং করে বুঝিয়েছি।
ভূমি ছাড়পত্র আছে কিনা,নকশা অনুমোদন আছে কিনা,সেটা দেখে নিয়মমাফিক কাজ করবেন।
কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করেন,আড়াই বছর ধরে কি করলেন?
আড়াই বছর ধরে এখনো আমার প্রতিষ্ঠানে আমরা দু’জন।
আমি আল্লাহকে স্মরণ রেখে কক্সবাজার বাসীর জন্য পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুন্দর, বাসযোগ্য কক্সবাজার রেখে যেতে চাই।

সমুদ্রকন্ঠ- পর্যটন এবং বীচ নিয়ে চিন্তাভাবনা-পরিকল্পনা কি?
কউক চেয়ারম্যান – আমাদের যে আইন আছে, এটার ধারাতে বলা আছে, সমুদ্রসৈকতে কোনো ধরণের স্থাপনা কেউ করতে পারবে না। কউকের জন্য যে বিশটা বিধিমালা আছে,তার ছয় নম্বর বিধিটা হলো সমুদ্র সৈকতে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বিধি বহির্ভূত স্থাপনা নির্মাণ নিয়ন্ত্রণ বা অপসারণ।
কিন্তু আমি আসার আগেই পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসককে সভাপতি করে,এখানে একটা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি দেয়া আছে।
সেখানে যতোটুকু দেখেছি,সমালোচনা করতে চাই না। আমি মন্ত্রণালয়ে লিখেছি,এই কমিটি যাতে সঠিকভাবে কাজ করে,সেটার জন্য আমাদের আইন অনুযায়ী আমরা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির দায়িত্ব নিতে চাই।

সমুদ্রকন্ঠ – অর্থাৎ আপনি বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ করতে চান?
কউক চেয়ারম্যান – অধীনস্থ করতে চেয়েছিলাম। কারণ আমাদের আইনে বলা আছে,এখানে আমাদের অজ্ঞাতে কোনো স্থাপনা করলেই আমি আইন অনুযায়ী ভেংগে দিতে পারি। অপসারণ করতে পারি, উচ্ছেদ করতে পারি।
পরে পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে বলা হলো যে,আপনাদের একজন প্রতিনিধি দেন।
আমি কর্ণেল আনোয়ারকে দিয়েছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত গত আড়াই বছরে আমরা কোনো ফলোআপ পাই নি।
ও (কর্ণেল আনোয়ার) যায়,মিটিংয়ে কি হলো না হলো জানানো হয় না। আমরা কি করবো,কোনো কিছু পাই নি।
তবে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গিয়ে দেখি,অনেকগুলো অবৈধ স্থাপনা হয়েছে।
এগুলোর ব্যাপারে আমি জেলা প্রশাসককে বলেছি। উনি নিজেই বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি। ওনার তো অনেক ম্যাজিস্ট্রেট আছে। উনি বলেছেন, চেষ্টা করছেন,এগুলো যাতে না থাকে। কিন্তু আমি জানি না,ওনার উপর অন্য কোনো প্রেশার আছে কিনা? তা না হলে কি করে সৈকতে অবৈধ স্থাপনা থাকে।
‘গরীব লোক কোথায় যাবে’- একথা বলে আমরা যেনো সৈকতে অবৈধ স্থাপনা করার সুযোগ না দেই। এদের যেনো অন্য জায়গায় পুর্নবাসন করি।
দেখছি,অপেক্ষায় আছি। দেখি কতোদুর যায়।

সমুদ্রকন্ঠ- এক সময় কি আপনি বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির দায়িত্ব নিতে বাধ্য হবেন?
কউক চেয়ারম্যান – বাধ্য যখন হবো,তখন আমাকে করতেই হবে।

সমুদ্রকন্ঠ – কক্সবাজারের জনসাধারণের কাছ থেকে কি ধরনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন?
কউক চেয়ারম্যান- আমি দেখেছি কক্সবাজারের শতকরা পঁচাশি ভাগ মানুষ,কক্সবাজারের ভালো চায়। সমস্যাটা হলো,কিছু সুবিধাবাদী আছে, যারা কাজ করতে দেয় না। তাদের আওয়াজও বেশি, শক্তিশালী এবং বিভিন্ন জায়গায় এরাই নেতৃত্ব দেন।
আমি যখন পাহাড় থেকে লোকজন সরালাম, তখন তারা আমার বিরুদ্ধে মিছিল করলো,ডিসিকে স্মারকলিপি দিলো। এটা তারা করতেই পারে। এদের কেউ উসকানি দিয়েছে।
আমি তাদের যখন বুঝালাম,তারা এরপর আর কিছু বলে নি।
শুটকির দোকানগুলো যখন সরিয়ে দিলাম। তারাও কিন্তু একই কাজ করেছিলো। পরে আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে,নিজেরাই সরিয়ে নিয়েছে।
জনসাধারণের সমর্থন ছাড়া সম্ভব না।
টাকা পয়সা থাকলে, আমার তো মাঝে মধ্যে মনে হয় যেনো এক একটা ওয়ার্ড ভেংগে ভেংগে,নতুন করে কক্সবাজারকে তৈরি করা।
এটা যদি নাও পারি, আমি খুরুশকূলকে নতুন কক্সবাজার, উত্তর কক্সবাজার হবে খুরুশকূল।

সমুদ্রকন্ঠ – কক্সবাজার শহরের পাশে বাঁকখালী নদীকে রাজধানীর হাতিরঝিল এর মতো নান্দনিকভাবে সাজানো যায় কিনা?
কউক চেয়ারম্যান -টাকা থাকলে সম্ভব। অলরেডি তো বাঁকখালীর পাশ দিয়ে দেড়শ ফুটের রাস্তা এয়ারপোর্ট থেকে বাংলাবাজারের সমুদা ব্রিজ পর্যন্ত যাবে। সার্ভে শেষ। ওটা যখন হয়ে যাবে, দেখবেন তখন,লোকজন বাঁকখালীর পাড়ে গিয়ে বসে থাকবে।

সমুদ্রকন্ঠ – সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
কউক চেয়ারম্যান- আপনাকেও ধন্যবাদ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno