শিরোনামঃ
কক্সবাজারে সেনা টহল জোরদার:সেনাবাহিনীর আহ্বানে সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব সাড়ানিজ বেতনের অর্থে অসহায় ৫ শ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কউক চেয়ারম্যানকক্সবাজারেমাঠে নেমেছে সেনাবাহিনীকক্সবাজার সী-সাইড হাসপাতালে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাকক্সবাজারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাজী রাসেল মহিলাসহ আটকআটকের ১৪ দিনেও থানা হাজতে টমটম চালক আয়ুবঃ ক্রসফায়ারের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগটেকনাফ সীমান্তে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মানব পাচারকারী নিহতমহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজআগামী দেড় মাসের মধ্যে কক্সবাজার শহরেরর প্রধান সড়কের কাজ শুরু করা হবে-লে: কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদহ্নীলায় অবৈধভাবে মাটি পাচারের ৬টি ডাম্পার ট্রাক জব্দশিক্ষায় আলোকিত মানুষেরাই যুগযুগ ধরে বেঁচে থাকে-লে.কর্ণেল ফোরকান আহমদ”বিদেশি পর্যটকদের নিকট সৈকতকে তুলে ধরতে”ওয়েলকাম টু সার্ফিং সিটি”ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে”টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ জালাল আটকটেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবা কোহিনুর আটকউখিয়ায় বিজিবি’র সঙ্গে‘বন্দুকযুদ্ধে’ইয়াবাকারবারি নিহত
porno izle izmir escort sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

আটকের ১৪ দিনেও থানা হাজতে টমটম চালক আয়ুবঃ ক্রসফায়ারের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ

received_302229950738322.jpeg

বার্তা পরিবেশক : কক্সবাজার টেকনাফে আয়ুব নামের এক টমটম চালকে গ্রেফতারের পর ‘ক্রসফায়ারের’ ভয় দেখিয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে টেকনাফ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। আটকের পর উক্ত ব্যক্তিকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করলে ওসি’র নাম ভাঙ্গিয়ে ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন এসআই সুজিত। তার দাবীকৃত টাকা না দিলে যে কোন মুহুর্তে আটক টমটম চালককে ক্রসফায়ার দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ তোলেছেন ভূক্তভোগীর স্ত্রী মরিয়ম। তিনি বলছেন, পুলিশের এই সব কথা কারো কাছে প্রকাশ করলে পরিবারের সদস্যদের মাদক, মানবপাচার ও অজ্ঞাত মামলায় ফাঁসিয়ে দিবে বলে হুমকি দেন পুলিশ। আটক ব্যাক্তি নোয়াখালীয়া পাড়ার মো: ইসলামের পুত্র।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারী রাত আনুমানিক ১ টার দিকে নোয়াখালীয়া পাড়া এলাকার ইসলামের বাড়ী থেকে পুলিশ আয়ুবকে আটক করে নিয়ে যায়। আইন অনুযায়ী আটকের ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে এখতিয়ারাধীন ম্যাজিট্রেট আদালতের উপস্থিত করতে হবে। কিন্তু এসআই সুজিতকে ৫লক্ষ টাকার না দেওয়ার কারণে আটকের ১৪দিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত আয়ুবকে আদালত কিংবা কারাগারে প্রেরণ করেননি থানা কর্তৃপক্ষ। এ কারণে অজানা শঙ্কায় রয়েছে ভূক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ‘ক্রসফায়ারের’ ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করতে আয়ুবকে টেকনাফ থানা হাজতে আটকে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে হরদম টাকা আদায় করে আাসছে এসআই সুজিতসহ আরো কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা।
স্থানীয়রা আরো বলেন, আয়ুব পেশায় একজন টমটম চালক ও ৪কন্যা সন্ত‍ানের জনক। দৈনিক টমটম চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তিনি। তার কিরুদ্ধে থানা আদালতে কোন অভিযোগ নেই তবে তাকে কেন পুলিশ আটক করছেন কিছুই জানেনা পরিবারের সদস্যরা।
এ ব্যাপারে জানতে টেকনাফ থানার এসআই সুজিতের সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোযোগ করা হলেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এ ব্যাপারে তিনি অবগত নন। কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হতে পারে। এরপরও বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন। টাকা নেয়ার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top