শিরোনামঃ
জয়নাল/আরাফাত সিন্ডিকেট গিলে ফেলেছে ইনানীর শত একর পাহাড়লামায় মৎস্য প্রকল্প থেকে ৫ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগটেকনাফ পুলিশ-বিজিবি পৃথক অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২জন নিহতলামায় এক নারীকে জবাই করে খুনদু’দিন বন্ধ থাকবে কলাতলীর মেরিন ড্রাইভের সংযোগ সড়কচট্টগ্রামে আগুনে পুড়ল দুই মার্কেটের ১৩০ দোকান“ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ছিলেন একজন গুনি ও জাতীয় মাপের শিল্পী”টেকনাফে দুইদিনে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গাসহ ৪ মাদককারবারি নিহত, ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারকক্সবাজারে জাতির পিতার কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী পালিতটেকনাফে হোয়াইক্যংএর বাবুইল্যা ও বাহারছড়ার আজম উল্লাহ বন্দুকযুদ্ধে নিহত : সার্কেলসহ ৪ পুলিশ আহতমহেশখালীর ২’শ পরিবার বিদ্যুতে আলোকিতটেকনাফে নোহা গাড়ি আগুনে পুড়ে ছাঁইনাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই ইউপি সদস্যের সংঘর্ষে নিহত ১,আহত ৫টোকাইদের জোটে’ পরিণত হয়েছে ২০ দলীয় জোট!মেরিন ড্রাইভ সড়কের কলাতলীতে অবৈধ দেয়াল ভেঙ্গে দিয়েছে প্রশাসন
porno izle izmir escort sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

মা তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি

received_1418071391678840.jpeg

মা তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়নজলে ভাসি
-অধ্যাপক হিমু হামিদ

জাতীয় সংগীত আমাদের ছোট বয়সের আবেগের জায়গা,গুনগুন করে এই গান গায়নি এমন বাঙালি-অবাঙালি খুব কমই আছে। অবাঙালি বলছি এই জন্য যে,এই গানের আবেদন এতটা প্রসারিত,অবাঙালীর মনও ছুঁয়ে যায় অবলীলায়। তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্তের রঙে খচিত জাতীয় পতাকার মত জাতীয় সংগীতও আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। মনে পড়ছে জাতীয় সঙ্গীতকে নিয়ে দৈনিক ইনকিলাব প্যারোডি করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। এবার শুনতে হলো নোবেল নামের এক অর্বাচীন শিল্পীর মুখে জাতীয় সংগীত নিয়ে টিপিক্যাল মন্তব্য। এটি নিয়ে সামাজিক গণমাধ্যম ফেসবুকে তুমুল প্রতিবাদের ঝড়ও চোখে পড়ছে ক’দিন ধরে। স্বাধীনতার ৪৯ বছরে এমন প্রজন্মও আমাদের চোখের অগোচরে বেড়ে উঠছে। দুর্ভাগ্য। পাকি সরকার রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমে রবীন্দ্র সঙ্গীত(আজকের জাতীয় সঙ্গীতসহ) নিষিদ্ধ করেছিল।এরপর আমরা বীর বাঙালী ‘৭১ সালে এক সাগর রক্ত বিসর্জন দিয়ে দ্বিজাতি তত্ত্বে জন্ম নেয়া (১৯৪৭)সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র পাকিস্তান থেকে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সার্বজনীন রাষ্ট্র-বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। যে রাষ্ট্র সকল নাগরিককে প্রথমত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করবে এবং তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় সমঅধিকার নিশ্চিত করবে। কিন্তু ‘৭৫ পরবর্তী সময়ে একটি মানচিত্র,একটি সংবিধান এবং একটি জাতীয় পতাকা ছাড়া পাকি প্রেতাত্মারা প্রতিটি ক্ষেত্রে পাকি ভাবধারায় ফেরে। ফেরে ধর্মের নামে শোষনের পুরোনো মৌলবাদী ফর্মূলায়। সেই ভাবধারারই পুণরাবৃত্তি করতে তাঁরা জাতীয় সংগীতকেও সাম্প্রদায়িক হিংস্র চোখে দেখেছে বারবার । ভারতের সা রে গা মা পা নামের একটি রিয়েলিটি শোতে অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি ,মানবতার কবি কাজী নজরুলের ‘চল চল চল’ গানটি যখন নোবেল গাওয়ার জন্য বেঁছে নেয়, তখন একজন প্রগতিশীল লোক স্বাভাবিকভাবে ভাববে ছেলেটা আসলেই প্রগতিশীল। এখন বুঝতে বাকি নেই যে, সে নামের পেছনে ইসলাম আছে এইজন্য তার পক্ষ থেকে নজরুল তার প্রিয় মানুষ। সরল মনে কিংবা ধর্মপ্রীতি থেকে এটি হলে নোবেলের নজরুলপ্রীতি দোষের কিছু নয়। সে হয়তো জানেনা নজরুল একজন অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী কবি। অথবা অসাম্প্রদায়িক কবি নজরুলকে সাম্প্রদায়িক চিন্তা প্রসূত ব্যবহারে একটা দুরঅভিসন্ধি থাকতে পারে বৈকি। আর যদি নজরুল অসাম্প্রদায়িক মানুষ একথা জেনে শুনে শুধু নামের সাথে ইসলাম থাকার কারণে কবি নজরুলকে বিনা নোটিশে সাম্প্রদায়িকীকরণ পূর্বক সাম্প্রদায়িক মন্তব্যটি করে থাকে তাহলে নোবেল শুধু স্ববিরোধীতা করেনি,কোমলমতি প্রজন্মদের সাথে প্রতারনাও করেছে। বিদ্রোহী কবিতার জন্য সাম্প্রদায়িক রাজনীতির জনৈক বক্তা তো নজরুলকে ‘কাফের’ বলে ঘোষণা দিয়ে বসেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে কেন জানি একই ব্যক্তির মুখে তার জন্য দোয়া করতে শুনেছি। নজরুলের অসাম্প্রদায়িক কর্ম চেতনাকে নয়,তার জনপ্রিয়তাকেই পু্ঁজি করতে রবীন্দ্রনাথের সাথে তুলনা পূর্বক নজরুলের জন্য তাঁরা আজকাল মায়া কান্নাও করে। দেশে এখন সবার হাতে স্মার্টফোন,কাগুজে সনদসর্বস্ব শিক্ষা,পরিপাটি জামা-এমনকি ইদানিং নাটক গানবাজনার প্রগতিশীল জায়গাতেও তাদের পদচারনা -নোবেলরা স্বাভাবিকভাবে ভাবছে-কতইনা প্রগতিশীল হয়ে গেছে তারা অথচ ভেতরে মনস্ত্বাত্তিক দরিদ্র সীমার কতটা নিচে একেকজন মানসিক প্রতিবন্ধী ,তা কিন্তু মোটেও ভাবছে না নোবেলরা। কে প্রগতির বেশভূষা ধারন করল বা না করল তাতে কারো কিছু আসে যায়না। আশঙ্কা কিন্তু অন্য জায়গায়। তাঁদের চলন-বলনের একঘেঁয়ে আউটপুটই বলে দেয়,’বৃক্ষ তুমি কি ফলে পরিচয়’। কমিউনাল আউটপুটস্ কালেভদ্রে ভয়ংকর হতেও দেখা গেছে । গুলশানের হলি আর্টিজেনে হামলাকারীদের একজন তো ঘটনার মাসখানিক পূর্বে ভারতের এক নায়িকার সাথে ফটোসেশন করে এসেছে। তো বাইরে তাঁরা যতই প্রগতির খোলস ধারন করুকনা কেন,তাঁদের ভেতরের ফ্লেভারটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়িয়ে পড়ে।এমনও হতে পারে নিজ গন্ডির প্রচলিত ভাবধারায় গা ভাসাতে যেয়ে অবচেতন ও অসর্তকভাবে নোবেল মন্তব্যটি করে ফেলেছেন। সম্প্রতি একটি সংবাদ মাধ্যমে ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন “রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ যতোটা না দেশকে (বাংলাদেশ) এক্সপ্লেইন করে তারচেয়ে কয়েক হাজার গুণ বেশি এক্সপ্লেইন করে প্রিন্স মাহমুদ স্যারের লেখা ‘বাংলাদেশ’ গানটা।” নোবেল জানে না যে, জনৈক প্রিন্স মাহমুদ ‘আমার সোনার বাংলা ‘ উদ্ধৃতিটাই নোবেল জয়ী কবি রবীন্দ্রনাথের লেখা আমাদের জাতীয় সংগীত থেকে ধার করেছেন। তিনি ঢাবি ছাত্রছাত্রীদের জড়িয়ে বলেছেন”ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা এই গানটি জাতীয় সঙ্গীত করার দাবি জানিয়েছে। আর আমিও তেমনটাই মনে করি।” দেশের বড় বড় বুদ্ধিজীবীদের পেছনে ফেলে এমন চমৎকার আইডিয়ার কথা আমার মাথায়ও কেন আসল না! এই আইডিয়ার জন্য নোবেলকে নোবেল প্রাইজ দেয়া উচিত। শুধু পরের গান গাওয়া দু’দিনের বৈরাগী-এই নোবেলই নয়,জাতীয় সংগীত নিয়ে একধরনের সাম্প্রাদায়িক এলার্জিপ্রসূত প্রতিক্রিয়াশীলতার বহিপ্রকাশ অতীতেও ঘটেছে বহুবার। নোবেল তো জাতীয় সংগীত নিয়ে শুধু একটি মন্তব্য করেই তোপের মুখে পড়েছে,জাতীয় সংগীতকেই বাদ দিতে উঠে পড়ে লেগেছিল এই রাষ্ট্রেরই মসনদ দখলদার সরকার। ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর রবীন্দ্র নাথের লেখা জাতীয় সংগীত বাদ দিয়ে রিপ্লেসের জন্য মুশতাক গং ঢাবি’র বাংলা বিভাগের অধ্যাপক দ্বীন মোহাম্মদকে কমিটিপ্রধান করে কবি নজরুলের ‘চল চল চল’ অথবা ফররুখ আহমদের পাঞ্জেরী কবিতাকে জাতীয় সংগীত বানানোর প্রস্তাব দেন। মেজর খালেদ মোশাররফ কর্তৃক পাল্টা বিদ্রোহে এটি ভেস্তে যায়। আরো একটি পাল্টা ক্যুতে মেজর জিয়ার দখলদার সরকার গঠিত হলে ১৯৭৯ সালের ৩০ এপ্রিল প্রধান মন্ত্রী কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী শাহ আজিজকে ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ গানটিকে জাতীয় সংগীত বানানোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। কিন্তু ১৯৮১ সালে সেনা বাহিনীর আভ্যন্তরীন ক্যুুতে জিয়া নিহত হলে এটি আর হয়নি। ধর্মান্ধ মানুষদের কাছে টানতে এরশাদও নাকি জাতীয় সংগীত পাল্টাতে চেয়েছে,কিন্তু তার কোন দালিলিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় থাকাকালে যুদ্ধাপরাধে দন্ডিত আলী আহসান মুজাহিদকে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী এবং মতিউর রহমান নিজামীকে শিল্প মন্ত্রী করা হলে,যে জাতীয় পতাকা তারা ‘৭১ চায়নি সেটা এসময়ে এসে তাঁদের গাড়িতে পঁতপঁত করে উড়িয়েছে । তারাও এই জাতীয় সংগীত পরিবর্তনে চতুর্থ দফা উদ্যোগ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করেন। পরে এই প্রস্তাব সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে পাঠালে তাঁদের এখতিয়ার বহির্ভূত জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়ে দেন। এরপর এটি বেশী দুর এগোয়নি। অবৈধ রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে জায়েজ করতে কিংবা অতিধর্মভক্তি দেখাতে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিগুলি জাতীয় সঙ্গীতকে বদলে দিতে চেয়েছে অন্যধর্মী রবি ঠাকুরের লেখা বলে। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রীলংকাসহ তিনটি দেশের জাতীয় সংগীত রচয়িতা এই রবি ঠাকুর। আমি জানিনা একজন হিন্দু কবির প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় আনন্দ সমরাকুন প্রবর্তিত জাতীয় সংগীত(” শ্রী লংকা মাথা/অপ শ্রী লংকা নম নম নম নম মাথা/সুন্দারা শ্রী বারিনী সুরন্দি অথি সবা মনালংকা”)নিয়ে শ্রীলংকার বৌদ্ধরা কোন প্রশ্ন তোলে কিনা। জানি না
(“অহরহ তব আহ্বান প্রচারিত, শুনি তব উদার বাণী
হিন্দু বৌদ্ধ শিখ জৈন পারসিক মুসলমান খৃস্টানী
পূরব পশ্চিম আসে তব সিংহাসন-পাশে
প্রেমহার হয় গাঁথা।
জনগণ-ঐক্য-বিধায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।”)।
হিন্দুস্থানের এই জাতীয় সংগীতে সংখ্যা লঘুদের কেন নিয়ে আসা হল-এমন প্রশ্ন ভারতের মৌলবাদীরা তোলে কিনা।
২০০৬ সালের গোটা মার্চ মাস জুড়ে বিবিসি বাংলার শ্রোতারা তাঁদের বিচারে সেরা যে পাঁচটি গান মনোনয়ন করেছেন,তার ভিত্তিতে বিবিসি বাংলা তৈরী করেছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কুড়িটি বাংলা গানের তালিকা । বিবিসি কর্তৃক দুই বাংলায় পরিচালিত জরিপে সর্বকালের সেরা বিশ বাঙলা গান নির্বাচনে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতটি। ‘মা তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি’। মাতৃভুমি যেই কোন দেশপ্রেমিক মানুষের কাছে মায়ের সমতুল্য। কোন ধর্মান্ধ গোষ্ঠির সংকীর্ণ উগ্র উন্মাদনায় যখন মানবতা বিভাজিত হয়ে ক্ষত বিক্ষত হয় তখন আসলে মায়ের মুখখানা মলিনই হয়।মার হাসিভরা মুখ দেখতে কার না ভাল লাগে। এক টিভি রিপোর্টে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে কেন মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয় না জিজ্ঞেস করা হলে উত্তর ছিল এই-এই গানে ‘চির দিন তোমার আকাশ তোমার বাতাস বলা হয়েছে। এটি তো আল্লাহর আকাশ,আল্লার বাতাস। রিপোর্টার জানতে চান যে,তাহলে তোমার মা কি আল্লার মা! তখন বাচ্চাটি কোন জবাব দিতে পারল না। হিন্দু সংখ্যা গরিষ্ট ভারতে এ পি জে আব্দুল কালামকে সেদেশের সবচেয়ে প্রধান পদ রাষ্ট্রপতি পদে আসীন করেছে । এ নিয়ে সেখানকার কট্টর হিন্দু মৌলবাদি দল বিজেপি ততটা প্রশ্ন তোলেনি,ক্ষমতার মসনদে আরোহনের পর যতটা সংখ্যালঘু নিপীড়িত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশের ধর্মাশ্রয়ী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠি কয়েক ধাপ এগিয়ে রবীন্দ্রনাথ নিয়ে গ্রশ্ন তোলে। পবিত্র কোরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশ চন্দ্রকে তারা যতটা গ্রহন করতে পেরেছে,রবি ঠাকুরে এসে তার বিপরীত ভাবধারা তারা পোষন করে বৈকি। ফেসবুকসহ সামাজিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের ব্যাপকসংখ্যকের পক্ষ থেকে নোবেলদের মতো ধর্মাশ্রয়ী স্বার্থান্বেষী এবং সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীলদের মুখোশ উন্মোচনে ব্যাপক নিন্দা এসেছে। দেশকে এগিয়ে নেয়া এইসব তরুণদের নিয়ে আমরা গর্ব করি। এই বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি যদি মুসলিম,হিন্দু ,বৌদ্ধ খ্রিস্টানের রক্তে কেনা হয়,তাহলে নোবেলদের ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ট নয়। তাঁরা এই রাষ্ট্রে থাকার অধিকার রাখেনা।

লেখক: হিমু হামিদ,
এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর,জিইএস,ফ্যাকাল্টি মেম্বার অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno