শিরোনামঃ
জয়নাল/আরাফাত সিন্ডিকেট গিলে ফেলেছে ইনানীর শত একর পাহাড়লামায় মৎস্য প্রকল্প থেকে ৫ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগটেকনাফ পুলিশ-বিজিবি পৃথক অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২জন নিহতলামায় এক নারীকে জবাই করে খুনদু’দিন বন্ধ থাকবে কলাতলীর মেরিন ড্রাইভের সংযোগ সড়কচট্টগ্রামে আগুনে পুড়ল দুই মার্কেটের ১৩০ দোকান“ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ছিলেন একজন গুনি ও জাতীয় মাপের শিল্পী”টেকনাফে দুইদিনে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গাসহ ৪ মাদককারবারি নিহত, ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারকক্সবাজারে জাতির পিতার কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী পালিতটেকনাফে হোয়াইক্যংএর বাবুইল্যা ও বাহারছড়ার আজম উল্লাহ বন্দুকযুদ্ধে নিহত : সার্কেলসহ ৪ পুলিশ আহতমহেশখালীর ২’শ পরিবার বিদ্যুতে আলোকিতটেকনাফে নোহা গাড়ি আগুনে পুড়ে ছাঁইনাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই ইউপি সদস্যের সংঘর্ষে নিহত ১,আহত ৫টোকাইদের জোটে’ পরিণত হয়েছে ২০ দলীয় জোট!মেরিন ড্রাইভ সড়কের কলাতলীতে অবৈধ দেয়াল ভেঙ্গে দিয়েছে প্রশাসন
porno izle izmir escort sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

তবে কি বাংলাদেশকেই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে হজম করতে হবে?

1555068345751blob.png

মোহাম্মদ মন্‌জুরুল আলম চৌধুরী::দ্বিতীয় বারের মতো বাস্তুচ্যুত রোহিংজ্ঞাদের বহুল প্রত্যাশিত গত ২২ আগষ্ট’১৯ তারিখের প্রত্যাবাসন কর্মসূচী ভেস্তে গেছে। রোহিঙ্গারা স্বদেশ ভূমিতে ফিরতে রাজী তবে প্রত্যাবাসনের পূর্বেই তাঁদের কিছু দাবী মিয়ানমার সরকারকে মানতে হবে বা তা মানার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। তাঁদের ৫টি শর্ত হচ্ছে –নাগরিকত্ব দেওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জমিজমা ফেরত, নিজেদের গ্রামে বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি এবং অবাধে চলাফেরার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের নাগরিকদের জন্য এসব দাবী শুধু যৌক্তিকই নয়। বরং তা ন্যায়সঙ্গত, জন্মগত, নাগরিক, রাজনৈতিক এবং রাষ্ট্রীয় অধিকারও বটে। এসব বিষয় সমূহের দায়-দায়িত্ব গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে সুষ্ঠু ও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া সর্বোপরি তাঁদের জনগণের ন্যায্য গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা মায়ানমার সরকারের আভ্যন্তরীণ বিষয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অমানবিক, পাশবিক, নারকীয়, মর্মন্তুদ, নির্যাতন নিপীড়ন, নারী ধর্ষণ, খুন হত্যা, ঘরবাড়ী পুড়িয়ে দেয়ার মুখে বিগত ২৫ আগষ্ট’ ১৭ তারিখে রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে আসতে থাকে রোহিঙ্গারা। মানবিক কারণে বাংলাদেশ এসব রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেয় এবং কিছু দিনের মধ্যেই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা সাত লাখ ছাড়িয়ে যায়। এর পূর্বে বিগত এক দশকে বিভিন্ন সময়ে মায়ানমার থেকে নির্যাতিত ও বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয় নেয় চার লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী। বিগত দুই বছরে আরও অনেক নবজাতকের জন্মের পর এ সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১২ লাখে ঠেকেছে। ঝড়, তুফান, অতি-বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, বন্যা, খরাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, জঙ্গি তৎপরতা নির্মূল, মাদকের ছোবল থেকে দেশকে রক্ষা করাসহ বহুমাত্রিক সমস্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশ তাঁর অভীষ্ট উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বাংলাদেশ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিতে গিয়ে নানান রকম প্রাকৃতিক, আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, জন-নিরাপত্তা, দেশের আভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে বিরূপ এবং নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এখনো হতে হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে যদি না এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হয়। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সংরক্ষিত ও অসংরক্ষিত বনাঞ্চল উজাড় হয়ে গেছে, পাহাড়ে বসতি স্থাপনের জন্য অসংখ্য পাহাড় পর্বত কাটা হয়েছে, পাহাড় ন্যাড়া করে ফেলা হয়েছে। পাহাড়ে জন বসতি স্থাপন, পাহাড় কাটা, বনাঞ্চল উজাড়ের ফলে মানবিক বিপর্যয় তথা পাহাড় ধ্বসে মৃত্যু ঝুঁকি বেড়েছে, জীব বৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়েছে, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্যের ব্যত্যয় ঘটেছে, পানির স্তর নিচে নেমে গেছে, বিভিন্ন খাল ছড়া জলাশয় অতিরিক্ত জনগোষ্ঠীর ব্যবহারের ফলে পানি দূষিত হয়ে পড়েছে, যত্রতত্র মল মুত্র ত্যাগের ফলে মানব বর্জ্য, শরণার্থীদের ব্যবহার্য প্ল্যাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরণের বর্জ্য দেশের পরিবেশ প্রতিবেশ বিপর্যয়কে ভয়াবহ ও ভয়ংকর হুমকির মধ্যে ফেলেছে। পাহাড় পর্বত থেকে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন বিরল প্রজাতির জীব জন্তু কীট পতঙ্গের কারণে প্রতিবেশের ভারসাম্যহানি ঘটছে। আবার কখনো এই হারিয়ে যাওয়া সংরক্ষিত এবং অসংরক্ষিত সবুজ পরিবেশ, বনাঞ্চল বাংলাদেশ আদৌ ফিরে পাবে কিনা সে বিষয় নিয়ে পরিবেশবাদী এবং পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা যথেষ্ট সন্দিহান। দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রতিবেশ, জীব বৈচিত্র্য, বিরল প্রজাতির কীটপতঙ্গ ও জলজ-প্রাণীজ জীবজন্তুর অভয়ারণ্য গড়ে উঠার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন, উৎকণ্ঠিত এবং শঙ্কিত। জীব জন্তু, কীটপতঙ্গের অভায়ারণ্য আবার ফিরিয়ে আনা গেলেও হারিয়ে যাওয়া বিরল প্রজাতির জীবজন্তু, পাখি, কীটপতঙ্গ কিভাবে ফেরত পাওয়া যাবে তা কারোরই জানা নেই। তাঁদের কারণে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। রোহিঙ্গারা জন্মগতভাবে একরোখা, উগ্র, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক সেবন ও মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। হয়তবা বৈরী পরিবেশ এবং পরিস্থিতিতে বেড়ে উঠার কারণে তাঁদের ভেতর এসব চারিত্রিক বৈশিষ্ট মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তাঁরা নিজেরা নিজেদের মধ্যে এমনকি স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে মারামারি, খুনোখুনি এবং বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সময়ে। মাদক, অস্ত্র, নারী পাচার সহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের সাথে এরা জড়িত। তাঁদের এ দেশে অবস্থানের কারণে স্থানীয় অধিবাসীদের কর্মসংস্থান কমে গেছে, বিভিন্ন রিলিফ সামগ্রী ব্যবহার না করে বিক্রি করার ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে অহরহ।

এতসব দুঃখের কাহিনীর সাথে নতুন করে যোগ হয়েছে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বদেশে ফেরত যাওয়ার ব্যাপারে অনিহা, অনুৎসাহ। যা দেশবাসীকে উদ্বিগ্ন, উৎকণ্ঠিত, শঙ্কিত করে তুলেছে।পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে যে স্বার্থান্বেষী কতিপয় এনজিও রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না করার জন্য নানানমূখী অশুভ অনভিপ্রেত অনাকাঙ্ক্ষিত অপ-তৎপরতার সঙ্গে জড়িত। তাঁদেরকে বিভিন্ন ভুল তথ্য দিয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নিরুৎসাহিত করছে। পাশাপাশি এদেশে আয়েশি ভাবে জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধ এবং বেপথু করছে অহরহ। ইংরেজিতে লেখা বিভিন্ন পোষ্টার, প্ল্যাকার্ড অশিক্ষিত রোহিঙ্গাদের হাতে তুলে দিয়ে বিশ্ব বিবেককে ভুল বার্তা দিতে তৎপর রয়েছে। এদিকে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন তাঁদের দাবীর কাছে বাংলাদেশ জিম্মি থাকতে পারে না। এসব দাবী তাঁদের নিজেদের দেশে গিয়ে আদায় করতে হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। এদিকে সমাজ বিশ্লেষক এবং সংশ্লিষ্ট সকল মহলের ধারণা রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে বেশ আরাম আয়েশে, নির্বিঘ্নে, অবাধে দিন যাপন করছে। থাকা, খাওয়া-দাওয়া, পোষাক পরিচ্ছদ কোন ব্যাপারেই তাঁদের কোন মাথা ব্যথা নেই। জাতিসংঘ, ইউনিসেফ সহ বিভিন্ন দেশের সাহায্য সহযোগিতার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে তাঁদের পেছনে। পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন দীর্ঘ-মেয়াদে এসব সুযোগ সুবিধা নাও থাকতে পারে। বিদেশী সাহায্য সহযোগিতা কমে আসার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারও তাঁদের পেছনে আর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে পারবে না। ফলশ্রুতিতে তাঁদের বর্তমানের আরাম দিনে দিনে কমে আসবে। পাশাপাশি ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নিলে, আর্থিক এবং বিভিন্ন ত্রাণ, চিকিৎসা সহায়তা ধীরে ধীরে হ্রাস পেলে তাঁদের নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে তাঁদের মায়ানমারে ফেরত যাওয়ার আর কোন বিকল্প থাকবে না। এদিকে যে সমস্ত এনজিও রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নিরুৎসাহিত করছে তাঁদের ব্যাপারেও সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ভেস্তে যাওয়ায় স্থানীয় জন সাধারণ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। তাঁদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে কেননা রোহিঙ্গাদের জন্য স্থানীয় অধিবাসীদের সুন্দর স্বভাবিক জীবনে ছন্দপতন ঘটেছে। তাঁরা নানান বিড়ম্বনা এবং অস্বস্থিতে দিন যাপন করছে। স্থানীয়দের সামাজিক, রাজনৈতিক অধিকার খর্ব হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, নারীদের দেহ ব্যবসা, নারী পাচারসহ নানাবিধ কারণে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ অসন্তোষ সামাজিক অস্থিরতা দানা বাঁধছে। রোহিঙ্গাদের রাজকীয়, আয়েশি জীবন যাত্রা স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাকে দুঃসহ ও অবর্ণনীয় করে তুলছে। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে অনাগ্রহ, নিরুৎসাহ দেখে মনে হচ্ছে তাঁরা আজীবন বাংলাদেশ ছেড়ে না গিয়ে এখানে বসতি গেঁড়ে বসবে। বিশ্বে বাংলাদেশ বাদে অন্য কোন রাষ্ট্র এতো বিপুল সংখ্যক শরণার্থী দীর্ঘ মেয়াদে আশ্রয় দেয় নি। উন্নয়নশীল বাংলাদেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি, অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকার জন্য। বাংলাদেশের আর্থিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ভারসাম্য টিকিয়ে রাখার জন্য। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বভাবিক এবং নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। দেশের সুখ শান্তি সমৃদ্ধি অব্যাহত রাখার জন্য বিপুল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত রোহিংজ্ঞা শরণার্থীদেরকে দীর্ঘ মেয়াদে এদেশে আর আশ্রয় দেওয়া আর সম্ভব নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর রোহিংজ্ঞা প্রত্যাবাসনে যে আশার আলো দেখা গিয়েছিল তা নিভে যেতে দেখে দেশ ও জাতি আশাহত, দুঃখিত, মর্মাহত। দেশ ও জাতির প্রবল প্রত্যাশা অচিরেই এই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সঙ্কট তিরোহিত হবে। সরকারকে জাতিসংঘ, চীন, আমেরিকা, ইউরোপিয়ান দেশ সহ বিশ্ববাসীকে একীভূত করে বাংলাদেশের জন্য জ্বলন্ত এই রোহিঙ্গা সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। বিশ্ববাসী প্রচণ্ড চাপ না দিলে মায়ানমার তাঁদের দেশ থেকে বিতারিত এই জনগোষ্ঠীকে ফেরত নিতে গড়িমসি করতেই থাকবে। বাংলাদেশ তাঁর নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী মানবতা উদারতা দিয়ে যা করার তা করেছে কিন্তু দীর্ঘ-মেয়াদে বিপুল বহিরাগত মানুষকে আশ্রয় দেয়া বা এদেশের নাগরিকত্ব দেয়ার কোন প্রশ্নই উঠেনা। দিনে দিনে বংশ বৃদ্ধি পাওয়া বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের পক্ষে হজম করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক সমস্যায় জর্জরিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। রোহিংজ্ঞাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে দেশের বন সম্পদ উজাড়, পাহাড় কাটা, বিপুল পরিমাণ ও বিরল কীটপতঙ্গ এবং জীব জন্তুর অভয়ারণ্য বিনষ্ট হওয়ার কারণে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকিতে থাকা বাংলাদেশের পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং প্রণীজ-জলজ জীব বৈচিত্র্যের যে ক্ষতি হয়ে গেছে তা আদৌ পুষানো যাবে কিনা একটা বিরাট প্রশ্ন।পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য যে বিরাট, ভয়াবহ এবং ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ অপেক্ষা করে আছে তা কল্পনারও অতীত। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাঁদের দুর্ভোগ দুর্দশা ভোগান্তির জন্য দেশ ও জাতিকে অভিসম্পাত করবে। দেশবাসী মিয়ানমার সরকারকে বলতে চায় দয়া করে আপনাদের জনগণ আপনাদের দেশে ফেরত নিয়ে নিয়ে গিয়ে তাঁদের স্বভাবিক নাগরিক হিসেবে বেঁচে থাকার জন্মগত রাজনৈতিক অধিকার দিন যা আপনাদের দেশের আভ্যন্তরীণ এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। স্বাধীনতাহীনতায় কেউ বাঁচতে চায় না। মানুষ তাঁর বেঁচে থাকার অধিকার চায়। অবশেষে মিয়ানমারের বর্বর সামরিক জান্তার শুভ বুদ্ধির হোক আমাদের এই প্রত্যাশাই রইল।

ধন্যবাদান্তে,

মোহাম্মদ মনজুরুল আলম চৌধুরী ।

আরবান ভিলা। ২২ গুরা মিয়া চৌধুরী লেইন। দেওয়ান বাজার । চট্টগ্রাম। মোবাইলঃ ০১৮১৯৩১৫৮০৮ ।
email: m.monju@yahoo.com

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno