শিরোনামঃ
জয়নাল/আরাফাত সিন্ডিকেট গিলে ফেলেছে ইনানীর শত একর পাহাড়লামায় মৎস্য প্রকল্প থেকে ৫ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগটেকনাফ পুলিশ-বিজিবি পৃথক অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২জন নিহতলামায় এক নারীকে জবাই করে খুনদু’দিন বন্ধ থাকবে কলাতলীর মেরিন ড্রাইভের সংযোগ সড়কচট্টগ্রামে আগুনে পুড়ল দুই মার্কেটের ১৩০ দোকান“ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ছিলেন একজন গুনি ও জাতীয় মাপের শিল্পী”টেকনাফে দুইদিনে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গাসহ ৪ মাদককারবারি নিহত, ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারকক্সবাজারে জাতির পিতার কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী পালিতটেকনাফে হোয়াইক্যংএর বাবুইল্যা ও বাহারছড়ার আজম উল্লাহ বন্দুকযুদ্ধে নিহত : সার্কেলসহ ৪ পুলিশ আহতমহেশখালীর ২’শ পরিবার বিদ্যুতে আলোকিতটেকনাফে নোহা গাড়ি আগুনে পুড়ে ছাঁইনাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই ইউপি সদস্যের সংঘর্ষে নিহত ১,আহত ৫টোকাইদের জোটে’ পরিণত হয়েছে ২০ দলীয় জোট!মেরিন ড্রাইভ সড়কের কলাতলীতে অবৈধ দেয়াল ভেঙ্গে দিয়েছে প্রশাসন
porno izle izmir escort sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব-শান্তি প্রতিষ্টা-মহাপ্রয়াণ

received_412343196071832.jpeg

শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব-শান্তি প্রতিষ্টা-মহাপ্রয়াণ

দ্বাপর যুগে মথুরা রাজ্যের রাজা কংস ছিলেন ভীষণ অত্যাচারী যে নিজের পিতা উগ্রসেনকে বন্দী করে সিংহাসন দখল করেন এবং ধর্মের আচার অনুষ্টান বিলুপ্ত করে প্রজা অত্যাচারী রাজা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। আদরের পরমা সুন্দরী দেবকী ছিল কংসের খুড়তুত বোন। খুব ভালবাসেন বলে রাজা শূরের পুত্র পরম ধার্মিক ও রূপবান- বসুদেবের সঙ্গে তাঁর বিয়ে দেন। আর সুপাত্রে বিয়ে দিতে পারায় কংস খুশিমনে নিজে রত ছালিয়ে তাঁদের রাজ্যে পৌঁছে দিচ্ছিলেন। মুহুর্তের মধ্যে যেন সব ভালবাসা হতাশায় পরিণত হলো। দৈববাণীতে বলা হলো-হে অত্যাচারী কংস, জেনে নেয়- তোর মৃত্যুর দ্যুত দেবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তান।

নিজের প্রাণের মায়ার কাছে যেন সব ভালবাসা ক্ষুবে রূপ নিল আর আদরের বোন দেবকীকে তরবারি দিয়ে হত্যা করতে উদ্যত হল। বসুদেবের মিনতিতে তরবারি নামাল এই শর্তে- দেবকীর গর্ভের প্রতিটি সন্তানকে কংসের হাতে তুলে দেবে। কথায় শান্ত হলেও কংস, বিশ্বাসে ছিল দূর্বল। যার করণে রাজধানীতে ফিরে কারাগারে আটকে রাখলেন। শয়তান পাপাচারী কংসের হত্যাকারী অষ্টম গর্ভের সন্তান বলা হলেও নিজের জীবনের মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে তিনি ইচ্ছুক নয়। তাই খুনী কংস একে একে ছয়টি পুত্র সন্তান পাথরে আছড়ে হত্যা করলেন।

সৃষ্টি রক্ষাকারী ঈশ্বরের কৃপায় এবার আসবে সপ্তম গর্ভের সন্তান- বলরাম।

পরমেশ্বরের শক্তি কে খন্ডায়-
দেবকীর গর্ভ থেকে বলরাম
রোহিণীর গর্ভে যায়। ( বসুদেবের প্রথম স্ত্রী)
প্রকৃতির ছায়াতলে সেই ছেলে বাড়ে
কুস্তি বিদ্যা না ধনুর্বিদ্যায় নজর কাড়ে।

বিধির বাণী কন্ডাতে পারে কে? সকল জল্পনা- কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি মধ্যে কংসের কারাগারে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণা অষ্টমী তিথিতে জন্ম নিল অষ্টম সন্তান শ্রীকৃষ্ণ। হায়- যিনি বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার, যিনি পাপীদের বিনাশ, সাধুদের রক্ষা, ধর্ম সংস্থাপন আর সুশাসন প্রতিষ্টার জন্য আবির্ভূত, তিনি এক পাপী দূরাচারী কংসের কারাগারে ভূমিষ্ঠ হলেন! দারিদ্রতম পিতা-মাতার সন্তানও একটু জন্মের পর শয্যালাভ ও শান্তির উপকরণ পায়। কিন্তু স্বয়ং ভগবান ভূমিষ্ঠ হওয়ায় পরও তা পায়নি! অন্যদিকে মৃত্যুর ভয়! যিনি পূর্ণ অবতার তার আবার ভয়! তাইতো ঈশ্বরের মায়ার ঝালে কোথাও কেউ জেগে নেই। ঘুটঘুটে অন্ধকার রাত্রিতে কারারক্ষীরাও ঘুমে অচেতন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে বসুদেব শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে হিংস্র রাজা কংসের হাত থেকে বাচানোর লক্ষ্যে, নদী পার হয়ে গোকুলে চলে গেলেন। সেখানে প্রথমে ঘুমে অচেতন নন্দরাজার বাড়িতে ঢুকলেন। তাঁর স্ত্রী যশোদার সদ্যজাত কন্যা শিশু কে গুমন্ত অবস্তায় কোলে নিয়ে নিজের পুত্রকে সেখানে রেখে দ্রুত চলে এলেন কংসের কারাগারে।

পরের দিন প্রভাতে কারারক্ষীরা দেখল, দেবকীর এক মেয়ে হয়েছে। রাজা কংসকে জানালে দ্রুত এসে শিশু মেয়েটিকে দুহাতে তুলে আছড়ে মারতে গেলে নিচে না পড়ে শিশু আকাশে উঠে গেল এবং কংসকে উদ্দেশ্য করে বলল, তোমাকে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে।

ভয়ে আর ক্রোধে ক্ষিপ্ত কংস তক্ষুনি আদেশ দিলেন গোকুলে যত শিশু আছে মেরে ফেলতে। ডাকা হলো রাক্ষসী পূতনাকে আর আদেশ দিলো গোকুলের সমস্ত শিশুকে মেরে ফেলতে। বিনিময়ে তাকে দেয়া হবে প্রচুর স্বর্ণমুদ্রা। লোভে পূতনা সুন্দরী নারীর রূপ ধরে গোকুলে চলল। শুরুতেই নন্দরাজের বাড়িতে গিয়ে কেঁদে কেঁদে যশোদাকে বলল, আমি দুঃখিনী মা। আমার শিশু মারা গেছে। টাকা-পয়সার প্রয়োজন নেই, দুবেলা খেতে দিও যার বিনিময়ে আমি তোমার শিশুপুত্রকে পালন করব।

মায়াবী যশোদা রাজী হলেন। একদিন সবার অনুপস্থিতিতে পূতনা কৃষ্ণকে কোলে নিয়ে নিজের তীব্র বিষ মাখমো স্তন কৃষ্ণের মুখে ঢুকিয়ে দিল। তার ধারণা ছিল, এই বিষে কৃষ্ণের মৃত্যু হবে। কিন্তু ধারণা ভুল হল। যিনি এ পৃথিবীতে দুষ্টের ধমন সৃষ্টের পালনের জন্য স্বয়ং ভগবান মানুষ রূপে জন্ম নিয়েছেন- তাঁকে মারবে পূতনা, কংস, জরাসন্ধ, শিশুপালের মত অত্যাচারী পাষন্ড পাপীরা। অন্তর্যামী কৃষ্ণ বুঝতে পেরে পূতনার স্তনে এমন টান দিলেন যে, তাতে পূতনারই মৃত্যু হলো। এতে শিশুতেই কৃষ্ণ আবির্ভাবের কারণ জানান দিল- পূতনাকে বধ করে, গোকুলের হাজার হাজার শিশুকে রক্ষার মাধ্যমে।

পূতনার মৃত্যু সংবাদে চিন্তিত কংস ভাবলেন- কোন নারীর পক্ষে কৃষ্ণকে মারা অসম্ভব। তাই তিনি শক্তিশালী পুরুষ অনুচরকে কৃষ্ণকে মারার জন্য পাঠালেন। আর এই অনুচর কৃষ্ণকে শকট চাপা দিয়ে মারতে এগিয়ে গেলে কৃষ্ণ সজোরে এক লাথি মারলে অনুচর মারা যায়। আবারও কৃষ্ণ কংসের অনুচরের হাত থেকে গোকুলের শিশুদের রক্ষা করলেন।

হিংস্র কংস কৃষ্ণকে মারার জন্য এবার পাঠালেন তৃণাবর্ত নামক এক অসুরকে। তৃণাবর্তের উদ্দেশ্য কৃষ্ণকে অনেক উঁচুতে তুলে আছড়ে মারবে যার কারণে গোকুলে গিয়ে প্রচণ্ড ঘূর্ণিবায়ুর সৃষ্টি করে সমস্ত গোকুল ভীষণ ঝড়ে অন্ধকার করল। ঘূর্ণিবায়ুর ফলে কৃষ্ণ অনেক উঁচুতে উঠে এলেন বটে কিন্তু তাঁকে আছাড় মারার আগে তিনিই তৃণাবর্তের বুকে ভীষণ চাপে মাটিতে ফেলে আছড়ে মারলেন। ভক্তের ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এভাবে শৈশব অবস্থায়ই দুষ্টের দমন করে শিষ্টের পালন করেছেন।

শৈশব পেরিয়ে বাল্যবয়সে অন্যান্য গোপেরা সহ শ্রীকৃষ্ণ ও বলরাম গোকুল ছেড়ে বৃন্দাবনে চলে যায় আর কৃষ্ণ হল গোপাল বালকদের দলপতি। সেখানেও কংস থেমে নেই। তার অনুচরেরা বিভিন্ন ছদ্মবেসে বৃন্দাবনে গেছে আর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর দিব্য জ্ঞানবলে তা জানতে পেরে বৎসাসুর, বকাসুর, অজগররূপী অঘাসুর, অরিষ্টাসুর, কেশী দানব ও ব্যোমাসুর সহ একে একে সবাইকে হত্যা করেছেন। এছাড়া শ্রীকৃষ্ণ- কালীয় দমন, দাবাগ্নি পান, শঙ্খচূড় বধ, গোবর্ধন ধারণ ইত্যাদি করণের মাধ্যমে অনেক জনহিতকর কাজ করে বাল্যকাল অতিক্রম করেছেন।

সময়ের আবর্তে দেখা যায় কংসের অত্যাচার বাড়তেই ছলেছে। কৃষ্ণ মারার সব চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে উপায়ান্তর না দেখে মল্লযুদ্ধে মারার পরিকল্পনা আটকে অক্রূরকে পাঠালেন আমন্ত্রণ নিয়ে কৃষ্ণের কাছে। আর এ মল্লযুদ্ধই কংসের কাল হলো। তিনি কৃষ্ণকে মারার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে আসামাত্রই কৃষ্ণ লাফ দিয়ে তাঁর রথে উঠলেন আর চুল ধরে মাটিতে ফেলে কংসকে হত্যা করেন। তারপর উগ্রসেন, দেবকী, বসুদেব প্রমুখকে মুক্ত করেন। উগ্রসেনকে মথুরার রাজা করেন। মা-বাবার সঙ্গে কৃষ্ণ, বলরামও মথুরায় থেকে যান। অতঃপর মথুরায় শান্তি ফিরে আসে।

অপরদিকে কংসের শ্বশুর মগদের রাজা জরাসন্ধ ছিলেন ভীষণ অত্যাচারী। কংসের মৃত্যুর খবর শুনে বিরাট সৈন্যবাহিনী নিয়ে মথুরা আক্রমণ করেন। কৃষ্ণের হাতে পরাজয় হলেও তাঁকে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু তাঁর প্রতিশোধ স্পৃহা থাকায় পরপর সাতবার মথুরা আক্রমণ করেন। কিন্তু ক্ষমাশীল কৃষ্ণ তার পরেও তাঁকে মারেননি। তবে মৃত্যু তাঁকে ক্ষমা করেননি। কারণ রুদ্রদেবের পূজার জন্য একশো নরবলি দেবেন বলে স্থির করে ৮৬ জন রাজাকে তিনি বন্দি করে রেখেছিলেন। আর ১৪ জন হলেই তিনি তাঁর অভীষ্ট কাজ সম্পন্ন করবেন। এ-খবর কৃষ্ণ জানতে পেরে দ্বিতীয় পান্ডব ভীমের সাহায্যে তাঁকে বদ করেন। এতে ১০০ জন রাজার প্রাণ বেঁচে যায়।

চেদিরাজ্যের রাজা ভীষণ অত্যাচারী শিশুপাল ছিলেন কৃষ্ণের আত্বীয়, সম্পর্কে পিসতুতো ভাই। শিশুপালের মা গুরুজন বলে কথা রেখেছিলেন বিধায় শিশুপালের একশোটি অপরাধ ক্ষমা করেছিলেন। কিন্তু যুধিষ্ঠির রাজসূয় যজ্ঞে কৃষ্ণ শ্রেষ্ট ব্যক্তি নির্বাচিত হওয়ায় ঈর্ষান্বিত শিশুপাল তাঁর নিন্দা, পান্ডবদের গালমন্দ আর যুদ্ধের হুমকি দেওয়ায় কৃষ্ণ তাঁর সুদর্শন চক্র দ্বারা তাঁকে হত্যা করে আরেক অত্যাচারীর মৃত্যু ঘটান।

শত পুত্রের জনক ধৃতরাষ্ট্র ছিল জন্মান্ধ। বড় ছেলে ছিল দুর্যোধন। তাঁদের বলা হয় কৌরব। পাঁচ সন্তানের জনক হস্তিনাপুরের রাজা পান্ডু ছিল ধৃতরাষ্ট্রের ছোট ভাই। তাঁদের বলা হয় পান্ডব। পাঁচ ভাই পান্ডবের বড় ভাই ছিল যুধিষ্ঠি। আর পান্ডবরা ছিল সৎ ও সদাচারী। পান্ডুর মৃত্যুর পর যুধিষ্ঠির রাজা হওয়ার কথা থাকলেও দুর্যোধন তা মানলেন না। তাই ধৃতরাষ্ট্র দুই পক্ষের মধ্যে রাজ্য ভাগ করে দিলেন। ইন্দ্রপ্রস্থ পান্ডবদের রাজধানী হওয়ায় দুর্যোধন খুশি নয়। তাঁর পুরো রাজ্যটাই চাই। তাই দুর্যোধন শর্তের জালে আটকে যুধিষ্ঠিকে কপট পাশা খেলায় হারিয়ে পুরো রাজ্যটাই দখল করে পান্ডবদের ১৩ বছরের জন্য বনবাসে পাটায়। বনবাস শেষে ফিরে এসে রাজ্য দাবি করলে দুর্যোধন শর্তভঙ্গ করে রাজ্য ফিরে না দিয়ে বললেন- বিনা যুদ্ধে তিনি রাজ্য দেবেন না। আর কৃষ্ণ যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য বারবার সন্ধি প্রস্তাব দেন। কিন্তু কৌরবরা তা মানেননি। অগত্যা কুরুক্ষেত্র নামক স্থানে দুই পক্ষের তুমুল যুদ্ধ হয়। সত্যের লড়াইয়ে কৃষ্ণ পান্ডবদের পক্ষে ছিলেন। যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ লোক নিহতের সাথে কৌরবরাও সবাই নিহত হন। যুদ্ধশেষে যুধিষ্ঠি রাজা হন এবং স্রীকৃষ্ণের কারণে রাজ্যে শান্তি ফিরে আসে।

এভাবে শ্রীকৃষ্ণ বারবার দুষ্টদের দমন করে শিষ্টের পালন করেছেন এবং সু-শাসন প্রতিষ্টা করে সমাজ ও রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছেন।

ভগবান যে উদ্দেশ্যে কৃষ্ণ অবতাররূপে জন্ম নিয়েছিলেন, তা সম্পন্ন হয়েছে। তাই এবার বৈকুন্ঠে যাবার পালা। বলরাম ইতোমধ্যে ধ্যানযোগে দেহত্যাগ করেছেন। আর কৃষ্ণ বনে প্রবেশ করে একটি অশ্বত্থ বৃক্ষের নিচে বসে আছেন। দূর থেকে জরা নামে এক ব্যাধ তাঁকে হরিণ মনে করে শর নিক্ষেপ করে। শরটি কৃষ্ণের পায়ে লাগলে এই শরাঘাতেই কৃষ্ণ ইহলীলা সংবরণ করেন।

লেখকঃ
চৌধুরী প্রদীপ গায়েন
বি.এস-সি(গণিত) বি.এড, এম.এ, এম.এড।
এম.এ (ইসলামিক স্টাডিজ),
কাব্য-উপাধি (হিন্দু ধর্ম),
ডিপ্লোমা-বাইবেল (খ্রীষ্টান ধর্ম)।
সিনিয়র শিক্ষক (গনিত)
আমেনা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno