শিরোনামঃ
পেকুয়ায় বন্দুকযুদ্ধে উপকূলের শীর্ষ জলদস্যু বাদশা নিহত,অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারশেখ হাসিনার ছাত্রলীগে জামায়াতি আঁচড়!২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চূড়ান্ত হয়নিচকরিয়ায় হত্যা ডাকাতিসহ ডজন মামলার আসামী,শীর্ষ সন্ত্রাসী আলকোমাস গ্রেপ্তারকক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার- ৪২শিক্ষাবন্ধু উপাধিতে ভূষিত হলেন কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ক্য থিং অংচকরিয়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তারকাশ্মীর সীমান্তে ভারতের গোলাবর্ষণ, দুই পাকিস্তানি নিহতটেকনাফে ভ্রাম্যমান আদালতে ১০ মাদকসেবির সাজামওদুদ একটা শয়তান: রাজ্জাকমুক্তি কক্সবাজার’র সভাপতি দুই দেশের নাগরিক!চকরিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, জরিমানা আদায়ভারত পাকিস্তান সীমান্তে গোলাগুলিতে ভারতীয় সেনা নিহতউখিয়া’অগ্রযাত্রা কল্যাণ পরিষদ’র কৃতি সম্বর্ধনা অনুষ্টান সম্পন্নব্রাজিলের দল ঘোষণা, স্কোয়াডে নেইমার
porno izle izmir escort sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

নানা কৌশলে ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা

ukhiya-2.jpg

আমিরুল ইসলাম মো:রাশেদ::নানা কৌশলে ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পাসপোর্ট সংগ্রহ করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছে ক্যাম্প থেকে পালানো রোহিঙ্গরা। এমন অহরহ ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের সচেতনা এখনো বাড়েনি।ফলে দিনদিন রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ছাড়ার প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে এভাবে অন্যত্রে চলে যাওয়ার সময় উখিয়া কলেজ সংলগ্ন আর্মি চেকপোস্টে আটক হয় ২জন। তারা চিকিৎসার কথা বলে ক্যাম্প ইনচার্জের নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিল।তাদের অসুস্থতা নিয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনের সন্দেহ হলে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠায়। এভাবে ক্যাম্প থেকে পালানোর সময় পুলিশ, আর্মি, বিজিবি চেকপোস্টে প্রায় ৫৮হাজার রোহিঙ্গা আটক হয়েছে ইতিমধ্যে। আটকদের সকলকে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানান সংশিষ্টরা।
জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফে ৩২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে। এখানে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা। মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নির্যাতনের শিকার হয়ে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে এদেশে পালিয়ে এসেছে। তাদের মধ্যে অনেকে ব্যবসা-বাণিজ্য করে এখন স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। তারা প্র্রতিদিন ক্যাম্প ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। স্থানীয় দালাল চক্রের সহযোগিতায় মালয়েশিয়া,আরব আমিরাত,সৌদি আরব সহ মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে থাকে রোহিঙ্গারা।
রফিক নামের এক এনজিওকর্মী জানান, তার গাড়ীতে করে ২জন রোহিঙ্গা চিকিৎসার কাগজপত্র নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন, এসময় আর্মি চেকপোস্টে তল্লাশী সময় তারা সঠিক উত্তর দিতে না পারায় আর্মি সদস্যরা ২জনকে বসিয়ে রাখে। এদের দেখে মনে হয়েছে তারা সম্পূর্ণ সুস্থ । কিন্তু ক্যাম্প ইনচার্জের নিকট থেকে অনুমতি নিয়েছে চিকিৎসার কথা বলে। তাদের কাগজপত্রে দেখা গেছে, তারা ২জনই থাইংখালী শফিউল্লাহকাটা ক্যাম্পের আশ্রিত রোহিঙ্গা। এরা হলেন- এনাম হোসেন (২২) সৌমুদা বেগম (৬১)। এখানে সৌমুদাকে রোগী সাজিয়ে তারা ক্যাম্পের বাইরে চলে যাচ্ছিল। পরে তাদেরকে ক্যাম্পে ফেরত পাঠায় আইনপ্রয়োগকারী সদস্যরা।
এব্যাপারে মুঠোফোনে কথা হলে কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুম হোসেন কক্সবাজার মেইল ডটকমকে বলেন,রোহিঙ্গাদের পালানো ঠেকাতে আমাদের অসংখ্য চেকপোষ্ট আছে।প্রতিনিয়নত কোন না কোন চেকপোষ্টে তারা আটকা পড়ছে।এপরও তারা স্থানীয়দের হাত ধরে নানাভাবে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে যাচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno