শিরোনামঃ
জয়নাল/আরাফাত সিন্ডিকেট গিলে ফেলেছে ইনানীর শত একর পাহাড়লামায় মৎস্য প্রকল্প থেকে ৫ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগটেকনাফ পুলিশ-বিজিবি পৃথক অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২জন নিহতলামায় এক নারীকে জবাই করে খুনদু’দিন বন্ধ থাকবে কলাতলীর মেরিন ড্রাইভের সংযোগ সড়কচট্টগ্রামে আগুনে পুড়ল দুই মার্কেটের ১৩০ দোকান“ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ছিলেন একজন গুনি ও জাতীয় মাপের শিল্পী”টেকনাফে দুইদিনে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গাসহ ৪ মাদককারবারি নিহত, ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারকক্সবাজারে জাতির পিতার কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী পালিতটেকনাফে হোয়াইক্যংএর বাবুইল্যা ও বাহারছড়ার আজম উল্লাহ বন্দুকযুদ্ধে নিহত : সার্কেলসহ ৪ পুলিশ আহতমহেশখালীর ২’শ পরিবার বিদ্যুতে আলোকিতটেকনাফে নোহা গাড়ি আগুনে পুড়ে ছাঁইনাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই ইউপি সদস্যের সংঘর্ষে নিহত ১,আহত ৫টোকাইদের জোটে’ পরিণত হয়েছে ২০ দলীয় জোট!মেরিন ড্রাইভ সড়কের কলাতলীতে অবৈধ দেয়াল ভেঙ্গে দিয়েছে প্রশাসন
porno izle izmir escort sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

বাচ্চাদের যেইভাবে গড়ে তুলবেন

images-34.jpeg

সব বাবা মা তাদের বাচ্চাদেরকে নিজস্ব পদ্ধতিতেই লালন পালন করেন।সবার মানসিকতা ভিন্ন তাই সিস্টেমও ভিন্ন।অনেকেই বাচ্চারা যা চায় তাই সামনে এনে হাজির করেন, আবার অনেকে আছেন বাচ্চারা না চাইতেই এত কিছু কিনে দেন ওরা ঠিক বুঝতেই পারে না ওদের ঠিক কোন জিনিসটা লাগবে বা আদৌ তাদের কোন জিনিসের প্রয়োজব আছে কিনা।

আরেক শ্রেনী আছে চাইলেও বাচ্চাকে তার প্রয়োজনীয় জিনিসটা দিতে পারেন না। সখের জিনিসের কথা বাদ।আবার এক শ্রেনী আছে যারা বাচ্চাকে প্রয়োজনীয় জিনিসটার পাশাপাশি মাঝে মধ্যে সখের জিনিসটাও কিনে দিবেন কিন্তু তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী।আমি হলাম শেষ দলে।আমি অপ্রয়োজনীয় সখের জিনিস কেনার পক্ষপাতি না।

আমরা সব সময় নিজেদের পজিশন বাচ্চাদের কাছে ক্লিয়ার করি।বাচ্চারাও কোন কিছু কিনার আগে জেনে নেয় এই মুহুর্তে কিনে দেয়া সম্ভব কিনা।
আমার ছেলেটা যখন ছোট ৪/৫ বছর বয়সের তখন ওকে মার্কেটে নিয়ে গেলে ওর পাপাকে বলতো”পাপা তোমার কি টাকা আছে?”ওর পাপা বলতো “কেন পাপা?”।
“আমাকে একটা গাড়ি কিনে দিবে?”দেখিয়ে দিত এক ইউরো দামের ছোট্ট একটা রেসিং কার।
ঐ গাড়িটা নিয়ে সে এত খুশি থাকতো!! রাতে কয়েকবার ঘুম ভেঙ্গে যেত কখন সকাল হবে, কখন স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের দেখাবে।গাড়িটা রাখতো ওর বালিশের নীচে।

আমরা তাকে ঐ এক টাকার গাড়ি সব সময় চাইলেও কিনে দিতাম না। একবার কিনে দিয়ে প্রমিস করিয়ে নিতাম এর পরের বার আসলে চাইবে না।এর পরের বার তার প্রমিস মনে থাকতো না। আবার ঐ গাড়ির আবদার।তখন তাকে সেই প্রমিসের কথা মনে করিয়ে দিতাম।তখন থেকেই তাকে বুঝিয়ে দিয়েছি চাইলেই সব কিছু পাবে না।
আমার দুজনেই এই নিয়মে অভ্যস্হ। কোন সখের কিছু কিনতে হলে দুজনে মিলে আলোচনা করবে কোন জিনিসটা তাদের চাই।সেটার দাম কতো।আমাদের আয়ত্তের মধ্যে হলেই আবদার করবে।

অনেক বাচ্চা আছে কোন কিছু চাচ্ছে কিন্তু কিনে না দিলেই চিৎকার করে কাঁদবে রীতিমত ফ্লোরে গড়াগড়ি দিয়ে কান্না। তখন বাবা মা বাধ্য হয়েই যা চাচ্ছে তাই কিনে দিচ্ছেন।এতে বাচ্চা বুঝে ফেলে কান্না করলেই খেলনা পাওয়া যায় এবং সে তার কান্নার অশ্র সব সময়ই ব্যাবহার করতে অভ্যস্হ হয়ে যায়।শুধু যে মার্কেটে গেলে এমন তা না বাসায়ও বাচ্চার কান্না থামানোর জন্য আমরা যা চাচ্ছে তাই হাতে ধরিয়ে দিচ্ছি।এটা যে কত বড় ভুল তা ভুক্তভুগি বাবা মা ঠিকই বুঝেন তখন অনেক দেরি হয়ে হয়ে যায়।
বাচ্চাদেরকে সুন্দর করে বুঝিয়ে দিতে হবে চাইলেই সব কিছু পাওয়া যাবে না।

অনেকেই মনে করেন বন্ধুদের সাথে প্রতিযোগীতায় যেন নিজের সন্তান পিছিয়ে না পড়ে। বন্ধুদের এই ব্রেন্ড ঐ ব্রেন্ডের সব কিছু আছে কিন্তু নিজের সন্তানের কোন ব্রেন্ডের কিছু না থাকলে ইজ্জত থাকে না।সন্তানের ব্রেনে এই ফালতু ইজ্জতের ব্যাপারটা না থাকলেও বাবা মা কিন্তু ঠিকই ঢুকিয়ে দিচ্ছেন।
অনেকে খুব গর্ব করে বলেন আমার সন্তান ব্রেন্ডের ছাড়া কিছুই ব্যবহার করতে চায় না।ব্রেন্ড মানেই কি উচ্চ রুচির পরিচয়?নাকি ফুটানি।
আমার সন্তানদের মাথায় এই ব্রেন্ডের পোকা এখনও ঢুকাই নি।যখন যা দিচ্ছি তাই পরছে।ওরা কখনও প্রশ্ন করে না, এটা কত টাকা দিয়ে কিনেছো?দেখতে সুন্দর আর আরামদায়ক হলেই হলো।

মানুষের সব সময় এক রকম যায় না। এরপর কোন একদিন যদি আপনার ব্রেন্ডের কিছু দেয়ার সামর্থ না থাকে তখন কি হবে?বাচ্চাদেরকে সব কিছুতেই অভ্যস্হ করে গড়ে তোলা ভাল।যাতে যে কোন সিচুয়েশনে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে।

আমার ছেলেকে সখ করে একবার” ফুট লকার” থেকে একজোড়া জুতা কিনে দিলাম।ওর চাওয়া ছিল না। আমরাই ওর জন্মদিনে গিফট দিয়েছি।পরদিন জুতাটা পরে ওর এক পোলান্ডের বন্ধুর সাথে বের হয়েছে।ওর বন্ধু ওকে দেখেই সাথে সাথে বলল” বাহ নতুন জুতা!!!! তা কত নিলো? এমাউন্ট বলাতে বন্ধু বলল ” আমিও কিনেছি, আমারটা আরও দামি। তুমি আরও দামিটা নিতে পারলে না”
আমার ছেলের মনটা খুব খারাপ হল।বাসায় এসে বলল, “আমি সান্দুর সাথে আর মিশবো না। ”
আমরা যখন জানতে চাইলাম কি হয়েছে।উত্তর শুনে আমার মন ভালো হয়ে গেল।” যে আমার চেহারার দিকে না তাকিয়ে আমি নতুন কি পরেছি সে দিকে চোখ যায় আমার এমন বন্ধুর দরকার নেই”।সেই থেকে দুজনের দুরত্ব বেড়ে যায়।এখনও ওদের দেখা হয় জাস্ট হাই হ্যালো পর্যন্ত।

কয়েকদিন আগে ওদের পাপা বলল”চল আমরা কোথাও থেকে ঘুরে আসি”
ছেলে জানতে চাইলো বাধ্যতামুলক যেতে হবে?
আমরা বললাম, না, তোমাদের ইচ্ছা।
আমাদের বিস্মিত করে দিয়ে দুজনেই বলল, “যাবো না।খরচ কমাও।এমনিতেই এ মাসে আমাদের জন্য অনেক খরচ হয়েছে।”

ছেলে মেয়ের বই,ছেলের মার্শাল আর্টের টাকা,মেয়ের ভলিবলের টাকা, ছেলের সারা বছরের বাস ট্রেনের টিকিট।সব মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার ইউরো।প্রতিটা সেপ্টেম্বর এমন খরচের তালিকা নিয়ে আসে।
আমরা মধ্যবিত্ত পরিবার।অপচয় ধাতে নেই।আমরা অল্পতেই খুশি থাকা মানুষ।সন্তানদেরকে চেষ্টা করছি আমাদের আয়ত্বের মধ্যে রেখেই বড় করতে।ওদের প্রয়োজনীয় চাহিদা পুরন করতে।আল্লাহর কাছে শুকরিয়া ওরা আমাদের সীমাবদ্ধতা বুঝে।

চাইলেই বাচ্চাদের হাত ভরে দেয়া কতটুকু ঠিক যারা দেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।বাচ্চারা সাধারনত তাদের বাবা মাকেই ফলো করে।এখন আপনি আপনার সন্তানকে কি মানসিকতা দিয়ে বড় করবেন সেটা একান্তই আপনার ব্যাপার।অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন “আমার ছেলেটা মেয়েটা কোত্থেকে এমন হলো!!!” একটু কষ্ট করে নিজের দিকে তাকালেই বুঝততে পারবেন।

Written by Panna Chowdhury

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno