শিরোনামঃ
গার্মেন্টস শ্রমিক জিন্দাবাদে ভিন্ন স্বাদে চমক তারাআইডিয়াল ট্রাস্ট পিইসি মেধাবৃত্তি পেলেন রাফাত নূর হাসনা রাফিপ্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীককে অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধনচকরিয়া থানা বিজয়দিবস ব্যাডমিন্টন টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন মতিউল-ইরফান ও রানার্সআপ আরেফিন-পিয়াসচকরিয়ায় ইউসিবি’র ‘সিআরএম’ উদ্বোধনখুরুশকুল ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা মো: রিয়াদঅনুপ্রবেশের দায়ে সেন্টমার্টিনদ্বীপ থেকে ১৬ মিয়ানমার নাগরিক আটকচবি ছাত্রলীগের একাংশ বিজয় এর পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত ভিসিকে ফুলেল শুভেচ্ছাএবারও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সম্মাননা পেলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ি আতিকুল ইসলামটেকনাফে“ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’মোকাবেলায় সব আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখার নির্দেশটেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউটের ১যুগ পূর্তি আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদনভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকালে রোহিঙ্গা তরুণী আটকঈদগাঁওতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিতচকরিয়ায় ঘর নির্মাণ করতে চাঁদা না দেয়ায় দূর্বৃত্তের হামলায় নিহত-১, নারীসহ আহত-৬, আটক-৩কুতুবদিয়া চ্যানেলের মগনামা পয়েন্টে ৯টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধ উপায়ে বালি উত্তোলন করছে এস আলম গ্রæপ!
porno izle izmir escort sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

শনিবারে আত্মসমর্পণ করবে ১২০ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী,প্রস্তুতি চলছে

images-4.jpg

অনলাইন ডেস্ক::স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত কক্সবাজার জেলার টেকনাফের প্রায় একশ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এইসব ইয়াবা পাচারকারীরা আত্মসমর্পণ করবে বলে জানা গেছে। ওইদিন সকাল ১০টায় টেকনাফ কলেজ মাঠে হবে বহুল প্রত্যাশিত এ আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান। দীর্ঘদিন এ ব্যবসা থেকে অর্জন করা অর্থের মায়া ভুলে প্রায় শখানেক ইয়াবা কারবারি স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানিয়েছেন, আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান আয়োজনে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও এতে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে প্রতীকীভাবে ইয়াবা ট্যাবলেট জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করবে প্রায় ১২০ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন গডফাদার। আত্মসমর্পণের জন্য এরই মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জিম্মায় এসেছে তারা। তাদের মধ্যে রয়েছে টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির তিন ভাই আবদুল আমিন, মো. সফিক ও মো. ফয়সাল, ভাগিনা সাহেদুর রহমান নিপু এবং বেয়াই শাহেদ কামাল। রয়েছে ছৈয়দ হোসেন মেম্বার, শাহ আলম, আবদুর রহমান, মোজাম্মেল হক, জোবাইর হোসেন, নূরুল বশর, কামরুল হাসান রাসেল, জিয়াউর রহমান, মো. নুরুল কবির, মারুফ বিন খলিল ওরফে বাবু, মো. ইউনুছ, ছৈয়দ আহমদ, রেজাউল করিম, নুরুল হুদা মেম্বার, দিদার মিয়া, জামাল হোসেন মেম্বারসহ অনেকে।
আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত থাকবেন বলে সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি ইয়াবার বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আর এই অভিযানে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি’র সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা পাচারকারীদের মৃত্যুর হার বেড়ে যায়। এরপর অনেক ইয়াবা পাচারকারী স্বপ্রণোদিত হয়েই আত্মসমর্পণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। অনেকেই ইতোমধ্যে আত্মসমর্পণের উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকেও ফিরে এসেছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, প্রায় শখানেক ইয়াবা কারবারি রয়েছে পুলিশের নিরাপত্তা হেফাজতে।

ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়াটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনলে তিনিও এতে সম্মতি দিয়েছেন। এরপরই জেলা পুলিশ এ নিয়ে কাজ শুরু করে। আত্মসমর্পণকারীদের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো মামলা রুজু হবে না। পুরনো মামলাগুলো তাদের আইনিভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এক্ষেত্রে তাদের সুপথে ফিরতে সরকার সহায়তা করবে।
টেকনাফের কয়েকজন ইয়াবা ব্যবসায়ী বলেছেন, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রতিদিনই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কেউ না কেউ নিহত হচ্ছে। তাই ভয়ে তারা আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় সঙ্গে থাকা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা কারবারিদের অনেকে আত্মসমর্পণ করার জন্য যোগাযোগ করেছে। যারা আত্মসমর্পণ করতে আসছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, প্রায় ৪৫০ জন নতুন ইয়াবা ব্যবসায়ীর নাম জানা গেছে, যারা তালিকাভুক্ত নয়। তাদের বিরুদ্ধে কোনো থানায় মামলাও নেই। লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে তারা দীর্ঘদিন ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের তথ্যমতে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় কক্সবাজার জেলায় ১ হাজার ১৫১ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে। এদের বেশিরভাগ সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের। ভয়াবহ মাদক ইয়াবার বিরুদ্ধে গত বছরের ৪ মে থেকে শুরু হয়েছে বিশেষ অভিযান। এ পর্যন্ত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে ৪২ কারবারি। এর মধ্যে ৩৭ জনই টেকনাফের। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ৭৩ জন গডফাদারের মধ্যে মাত্র চারজন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে।

ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ বিষয়ে পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, কোনো খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ী ও বহনকারীকে আত্মসমর্পণের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়নি। যারা আত্মসমর্পণের জন্য পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তারা সবাই শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী ও গডফাদার।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno